japan visa korea

দক্ষিণ কোরিয়া থেকে জাপানের ভিসা পাবার পদ্ধতি। জাপান যেতে ইচ্ছুক ভাইবোনদের জন্য

যেভাবে নিজে নিজে জাপানের ভিসার জন্য আবেদন করবেন!নিজে না করলে পরিচিত এজেন্সির মাধ্যমেও করতে পারবেন!তবে নিজে নিজে করলে অনেক কিছুই শিখতে/ জানতে পারবেন!

নিম্নের প্রক্রিয়া অবলম্বন করলে খুব সহজেই e9/e7/f2 ভিসা থেকে নিজে নিজে জাপানের ভিসা পেতে পারবেন! অন্যান্য ভিসা থেকে আবেদন করা যাবে/যাবেনা তা জানার জন্য জাপানি এম্বাসীতে মেইল করে জেনে নিতে পারবেন!তাদের মেইল সার্ভীস খুব একটিভ!
g1 ভিসাধারী কেউ এপ্লাই করতে পারবে না!mail:- visa@so.mofa.go.jp

**জাপানের টুরিস্ট ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সমূহ!

১:-Visa application
ভিসা এপ্লিকেশন ফর্ম কম্পিউটারে টাইপ করলে ভাল হয়!হাতে লিখলেও সমস্যা নেই,তবে ঘষামাজা থেকে বিরত থাকতে হবে!আর অবশ্যই নিজের নাম বড় হাতের অক্ষরে লিখতে হবে! ভিসা এপ্লিকেশন ফর্মটি নিচ থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন!

japan visa application form

২:-Employment certificate(재직증명서)
এটি হচ্ছে আপনার কাজের সনদপত্র!আপনি যেই কোম্পানীতে চাকরী করেন সেখান থেকেই নিতে হবে এটা! আপনি যদি স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন তবে আপনার কলেজ/শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা সনদপত্র(재학증명서)নিতে হবে!

৩:-Business certificate(사업 증명서)
আপনি যেই কোম্পানীতে চাকরী করেন সেই কোম্পানীর ব্যবসায়ীক সনদপত্র!
সাধারণত মালিকের কাছে চাইলেই দিয়ে দেয়!

৪:-Salary proof(소득 금액 증명원)
ভিসার জন্য আবেদনের করার আগের বছরের বেতনের তালিকা!এটাও মালিকের কাছ থেকে নিতে হবে! সেলারী প্রুফ আর টেক্স সার্টিফিকেট দুটাই আলাদা জিনিষ!এক জিনিষ ভেবে ভুল করবেন না!
xayer certificate(납세 증명서)
এটা কোরিয়ান সরকারকে আপনার প্রদানকৃত টেক্সের বিবরণী!২০১৯ সালের জানুয়ারিতে ভিসার জন্য আবেদন করলে ২০১৭ সালের টেক্স পেপার লাগবে!এটা নিজ শহরের টেক্স অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হবে!অথবা মালিককে বললে উনি ম্যানেজ করে দিতে পারবেন!

কিভাবে বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে দক্ষিন কোরিয়া যাবেন

এটা খুব জরুরী বিষয়!যখন এপ্লাই করবেন তার আগের দিন সহ বিগত ৬ মাসের সম্পূর্ণ লেনদেনের বিবরণী থাকা লাগবে!ব্যংকে যত বেশী ব্যালেন্স থাকে ততই ভাল,সর্বনিম্ন/সর্বচ্চ বলতে কিছুই নেই!তবে বেশী টাকা দেখে ভিসা দিয়ে দিবে এই ভেবে আবেদনের আগে ধার করে টাকা ঢুকাবেন?

এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল!শেষ তিনমাসে ধার করা টাকা না ঢুকানোই ভাল!মানে হচ্ছে সেলারী ছাড়া অন্য একাউন্ট থেকে টাকা না নেয়াই ভাল!নিজের যা আছে তাই সো করবেন,একাউন্ট পিউর রাখার চেষ্টা করবেন!ব্যাংকে গিয়ে বললেই দিয়ে দিবে!ব্যংকে সর্বশেষ ব্যালেন্স কত আছে তা অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে!

৭:-Flight tickets reservation/original buy ticket(round trip)
রাউন্ড ট্রিপের ফ্লাইট বুকিং কপি দিলেও হবে আবার পেমেন্ট করা টিকিট দিলেও হবে!নিজের ক্রেডিট কার্ড থাকলে নিজে নিজেই করতে পারবেন অথবা এজেন্সি থেকেও করে নিতে পারবেন!বুকিং কপি মানে হচ্ছে কিছু চার্জ দিয়ে বিমানের আসন বুকিং করে রাখা!অবশ্যই রাউন্ড ট্রিপ হতে হবে!

৮:-Hotel booking
এটাও নিজে নিজে করতে পারবেন!ক্রেডিট কার্ড ছাড়াই booking.com থেকে হোটেল বুকিং দেয়া যায়!এতে করে ভিসা পাওয়া/না পাওয়ার পর বুকিং কেন্সেল না হলেও টাকা কাটার ভয় থাকবে না

৯:-Cover letter
এটাকে ভিসার জন্য সাদা কাগজে আবেদন করাকে বুঝায়!নির্দিষ্ট কোন কাগজ নেই!
ভালভাবে বুঝার জন্য নিচে সেম্পল দেয়া আছে,ডাউনলোড করে নাম আর সাক্ষর দিয়ে কাজে লাগাতে পারেন!

১০:-Travel plan
এটার জন্যও নির্দিষ্ট কোন কাগজ নেই!কয়দিন থাকবেন,কোথায় কোথায় ভ্রমণ করবেন তার একটু বিবরণী লিখে দিলেই হবে!নিচে সেম্পল দেয়া আছে,ডাউনলোড করে হাতে/কম্পিউটারে টাইপ করে দিলেই হবে!

১১:-Alien card copy
এটা হচ্ছে কোরিয়াতে বসবাস করার জন্য যেই কার্ড আমরা ব্যবহার করি সেটা!জাপান ভ্রমণ করে কোরিয়াতে প্রবেশ করার পর এই কার্ডে মিনিমাম ৩ মাসের মেয়াদ থাকলেই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন!

১২:-Passport with 1 photocopy
জাপান ভ্রমণ শেষে ৬ মাসের মেয়াদ থাকবে,এবং পাসপোর্টে অন্তত দুইটা খালি পাতা থাকতে হবে!আর অবশ্যই পাসপোর্ট এর মেয়াদ ১০ বছরের বেশী হতে পারবে না!অবশ্য আমাদের ৫ বছরের মেয়াদ থাকে!

১৩:-Photo
ছবি অবশ্যই সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের হতে হবে!আর সাইজ হবে 45X35mm !

এসকল কাগজপত্র নিয়ে jungno-gu তে অবস্থিত twin tower b বিল্ডিং এর ৮ তলায় অবস্থিত জাপান কাউন্সিলর অফিসের ৫ নাম্বার ডেস্কে জমা দিতে হবে!লাইনে দাঁড়ানোর পূর্বে কাগজপত্র গুছিয়ে হাতে রাখবেন,আপনার সিরিয়াল আসলে সাথে সাথে কাগজ দিয়ে দিবেন!সিরিয়াল আসার পর দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কাগজ ঠিক করা,ছবি লাগানো,সময় নষ্ট করাও কিন্তু অনেক অফিসার নেগেটিভ হিসেবে নেয়!

জমা দেয়ার পর আপনাকে একটা রিসিপ্ট আর পরবর্তি নির্দেশনার একটি কাগজ দিয়ে দিবে!এবং বলে দিবে আপনাকে মেইল করার জন্য!উক্ত তারিখ অনুযায়ী আপনি মেইল করে জানতে পারবেন আপনার ভিসার স্টেটাস সম্পর্কে!

কোন কিছু প্রিন্ট করার দরকার হলে বিল্ডিং এর নিচে নেমে রাস্তার ওপরসাইডে kinko’s নামের দোকান থেকে করতে পারবেন!

মেইল করার নিয়ম:-

NAME:- (পাসপোর্ট অনুযায়ী আপনার নাম)

এপ্লিকেশন নাম্বার:-(ছোট কাগজে যেই নাম্বার লেখা থাকবে সেটা)

ব্যাস এতটুকু লিখেই visa@so.mofa.go.jp এড্রেসে পাঠিয়ে দিবেন!

উক্ত কাগজপত্র নিয়মানুযায়ী জমা দিলে ভিসা পাবার সম্ভাবনা অনেকটাই বেশী!
এরপরেও এম্বাসী থেকে অতিরিক্ত কাগজ চাইতে পারে,তখন সেই কাগজ মেইল করে দেয়া যাবে!

জাপান এম্বাসীতে ডাকযোগের ব্যবস্থা নেই!তবে আপনি যাতায়াত করতে না পারলে আপনার হয়ে অন্য যেকেউ কাগজ জমা দেয়া,ভিসা/পাসপোর্ট নিয়ে আসতে পারবে!
তবে তার জন্য ভিসা এপ্লিকেশন ফর্মের নাম্বারে উক্ত ব্যক্তির বর্ণনা লিখে দিতে হবে!

আমি ভিসা পেয়েছি মাত্র তিনদিনের মাথায়!বাংলাদেশীদের জন্য কোন ভিসা ফি নেই!(যারা শুধু দক্ষিণ কোরিয়াতে বসবাস করে তাদের জন্য)

আমি শুধু আমার নিজস্ব অভিজ্ঞিতা শেয়ার করেছি মাত্র!ভিসা দেয়া/না দেয়া সম্পূর্ণ নির্ভর করে এম্বাসীর উপর!ভিসা না দিলে কষ্টের কিছুই নাই,আবার ট্রাই করবেন!

কাগজ জমা দেয়ার/সংগ্রহের সময়:-
৯.৩০~১১.৩০ এবং ১৩.৩০-১৬.০০!

ভিসা সম্পর্কিত তথ্যর জন্য:-visa@so.mofa.go.jp

ওয়েবপেজ:- japan embassy 

কন্টাক্ট নাম্বার:-02-739-7400

এম্বাসীর ঠিকানা:-6 Yulgok-ro, Junghak-dong, Jongno-gu, Seoul

যাতায়াত:-সিউল সাবওয়ের gyeongbokgung স্টেশনের ৬নং এক্সিট দিয়ে বের হয়ে ডান দিকে সোজা প্রায় ১০ মিনিট হেটে গেলেই twin tree b টাওয়ারের লিফটের অষ্টম তলায় গেলেই পেয়ে যাবেন!

direction for japan embassy ;-map

Full Credit goes to honorable : Srabontrails

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here